ঢাকা, মঙ্গলবার ১১ই ডিসেম্বর ২০১৮ , বাংলা - 

কাকরাইলে রাতে অসহায় মানুষের ঢল

মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান পলাশ

শুক্রবার ১৪ই সেপ্টেম্বর ২০১৮ সকাল ১১:৪২:৩৯

রাত আনুমানিক ১০টা  কাকরাইল রাজমনি সিনেমা হলের সামন দিয়ে যাওয়ার সমায় চোখে পড়ে বিশাল লাইন এত রাতে এত বড় লাইন দেখে কৌতুহলি মন থমকে দাড়াই, জানার ইচ্ছায় সামনে গিয়ে দেখি যুব জাগরন অফিসের সামনে অসহায় , দরিদ্র ছিন্ন মূল, রিস্কচালক, মানুষ গুলো আনন্দের সাথে গরুর মাংস দিয়ে ভাত খাচ্ছে।

সবজি নিচ্ছে এবং ডাল দিয়ে আনন্দ চিওে খাচ্ছে । কি আনন্দ  রিকশা/ ভ্যান হত দরিদ্র ছিন্নমূল মানুষের । এ মানুষগুলোর  শৃংখলা দেখে মনের অজান্তেই  ভাবলাম  কি উপলক্ষে এই খাওয়া।

আয়োজন, কোন উপলক্ষ নাই সম্রাট ভাই তিন মাস ধরে প্রতি রাতে আমাদের পেট ভরে  খাওয়াচ্ছে - সম স্বরে লাইন হতে ভেসে আসলো। "যুব বন্ধুর" দেওয়া খাওন আমরা পেট ভরে খাই । 

সত্য বিশাল লাইন, মেইন রোডের ফুটপাত ধরে উইলস লিটল্স ফ্লাওয়ার স্কুলের ফুট ওভার ব্রিজ পর্যন্ত আনুমানিক হাজার খানেক লোকের লাইন। এত লোকের খাবার  পাওয়ার ব্যাপারটা চিন্তার কারন, তাই সামনে  এগিয়ে গেলাম জানার ইচ্ছায়।

খাবার দেওয়ার দায়ীত্বে নিয়োজিত লোক গুলো অনেক ব্যাস্ত যারা প্রত্যেকে দরিদ্র লোক গুলো যেন খাবার পায় সেই চেষ্টায় ব্যস্ত । মানুষ কাজ করছে। একজনকে ডাকলাম ভাই সবাই খাবার পাবেতো ?, ইনশা আল্লাহ বলে আবার ব্যাস্ত হয়ে গেল। জানার ইচ্ছা আরো বেড়ে গেল কে এই খাবার এতদিনধরে খাওয়াচ্ছে, কেনই বা খাওয়াচ্ছে ?

লোকগুলো সমস্বরে বলে উঠলো আমাদের সম্রাট ভাই । দেখার ইচ্ছা কোথায়  সম্রাট ভাইকে দেখলাম উপর হতে মনিটরিং এবং নির্দেশনা প্রদানে ব্যাস্ত চোখ যেন ছিন্নমূল, ক্ষুধারত  মানুষে মুখের দিকে এবং লাইনের শেষ মানুষটির মুখের হাসি দেখার অপেক্ষা করছে।

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি, যুব সমাজের অহংকার, জননেত্রী শেখ হাসিনা’র অস্থাভাজন “যুববন্ধু” ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট । যার বলিষ্ট নেত্রিত্বে আজ যুবলীগ সাধারন মানুষের অনেক কাছাকাছি অবস্থান করে বাংলার নিরহ মানুষে পাশে  কাজ করে যাচ্ছে । গত ৩ মাস হলো এখানে এই ছিন্নমূল, রিস্কা/ ভ্যন, দিন মজুর, ভবঘুরে, মানুষদের খাওয়ার ব্যাবস্থা করেছেন তিনি।  

প্রথম দিকে এই মানুষেরসংখা কম হলেও দিন দিন বেড়েই যাচ্ছে ।  কিন্তু তার মুখে যেন কোন দুশ্চিন্তার লেশ মাত্র নেই, কোথা হতে অসবে এ খাবার, কিভাবে চলবে এই আয়োজন  জান্তে চাইলাম, উত্তর আসলো রিজিকের মালিক আল্লাহ, তিনিই ব্যাবস্থা করবেন। তার সপ্ন এই অসহায়  মানুষ গুলো খাবারের অভাবে আর বেশি দিন এখানে আসবে না । বাংলাদেশ আজ বিশ্বেও মধ্যে মাথা উচু করে দাড়িয়েছে জননেত্রীর বলিষ্ঠ নেত্রীত্বে বাংলদেশের প্রত্যেক মানুষ নিজ নিজ পরিবার সহ অনেক শান্তিতে বসবাস করছে। কিছু কিছু এলাকায় দূর্বল নেত্রীত্ব, সাধারণ মানুষের সাথে সর্ম্পকের অবনতি এবং সাধারণ মানুষের পাশে

না দাড়ানোর কারনে ছিন্নমূল মানুষের সংখ্যা বেড়েছে , এটা আমার কাছে আমার সংগঠনের কাছে পিড়া দায়ক তাই প্রধান মন্ত্রির নির্দেশ কোন মানুষ যেন ক্ষুধায়য কষ্ট না পায়। সেই নির্দেশে আমার সংগঠনের এই সামান্য প্রয়াস। এই অবহেলিত মানুষ গুলো এক বেলা ভাল ভাবে পেট পুরে ভালো খাবার খায়। ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট বলেন -সাধারণ মানুষের কাছে যুব দল যেমন আতংকের কারন ছিল, টেন্ডারবাজি,বাসষ্ট্রান্ড গুলো দখল, চাঁদাবাজির কারনে অতিষ্ঠ ছিলো , সামান্য ওর্য়াড নেতা ওসিদের গায়ে হাত দিত , আমি বলতে পারি আমার প্রান প্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রত্যেক সদস্য তাদের কাজের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পাশে দাড়িয়ে কাজ করছে এবং সাধারণ মানুষের আতংক যুবলীগের কর্মিরা দুর করে এক কাতারে আগামী নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জননেত্রীকে আবারো বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রী হিসাবে সংসদে পাঠাবে।

যুবকদের নিয়ে চিন্তা চেত, তাদের বিপদে পাশে দারানোর জন্যে যুব সমাজ আপনাকে "যুব বন্ধু" উপাধি দিয়েছে এই যুবসমাজের জন্যে আপনার চিন্তা ভাবনা কি এবং মাদক এর ক্ষেত্রে আপনার অবস্থান কি  " যুব বন্ধু" বলেন আমার যুবক ভাইদের যার যার যোগ্যতা অনুযায়ী যদি কাজ করতে তবে আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি,  কোন যুবক বিপদ গামী হবে না, আামাদের সরকার যুব উন্নয়ন কর্মসূচী দিয়ে যুবকদের বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করছে তবে তা আরও ব্যাপক ভাবে হওয়া উচিত, আমাদের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী বলেছেন চাকরির কোন বয়স নাই । এ বিষয়টি যদি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হয়, বর্তমান যুবসমাজের কোন বিশৃঙ্খলা থাকবে না, আর মাদকের বিষয়ে আমারই প্রথম এই উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়েছি। আবেগ আপ্লুত হয়ে সম্রাট বলেন আমরা খুবকষ্ট লাগে যারা মাদকের করাল গ্রাসে পতিত হচ্ছে তারা সমাজের ই অংশ কারো ভাই, কারো সন্তান, আমি বিশ্বাস করি   যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যাবস্থা করতে পারলে, তারা এই  ঘৃণিত বস্তু দিকে আসক্ত হবেনা, "প্রতিটি যুবকের যোগ্যতা অনুযায়ী অধিকার প্রতিষ্ঠিত করাই আমার একমাত্র লক্ষ্য " সারা ঢাকা বাসী এবং যুবলীগের কর্মীরা আপনাকে সংসদ সদস্য হিসাবে পেতে চায় কারণ তারা মনে করে " ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট " মহান সংসদে গিয়ে যুব সমাজের অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অগ্রনি ভুমিকা রাখতে পারবেন। এ ব্যপারে আপনার চিন্তা কি জানতে চাইলে, সম্রাট বলেন, আমার কর্মীরা আমার সম্পদ, তারা চাইতেই পারে এটা দোষের কিছুনা, শেখ হাসিনা বিশ্বের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ও বিচক্ষন প্রধানমন্ত্রী ’ তিনি ভালো ভাবে জানেন কোথায় কাকে নমিনেশন দিতে হবে, সে নিয়ে আমার কোন কথা নেই। তিনি যাকে নৌকা মার্কা দিবেন তার পিছনে কাজ করতে হবে এবং আগামীতেও আবারো যোগ্য নেতৃত্ব প্রদানের মাধ্যমে এই বাংলার সাধারণ মানুষের পাশে শেখ হাসিনা কে প্রধানমন্ত্রী করতে হবে। সেই লক্ষে ইতিমধ্যে ঢাকা মহানগর দক্ষিন যুব লীগ আগামী একাদশ জাতিয় সংসদ নির্বচন সামনে রেখে, নির্বচনী কেন্দ্র ভিত্তিক "১০০" নির্বাচন পরিচালনা কমিটি করা হয়েছে। যে কমিটি ইতিমধ্যে বাংলদেশ আওয়ামী যুবলীগের সম্মানিত চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর নির্দেশনা ক্রমে কার্যক্রম শুরু করেছে।  দির্ঘদিন বাংলাদেশের রাজধানীর গুরুত্ব পূর্ন একটি সংসদীয় আসনের এলাকার মানুষ বাংলাদেশ আওয়ামিলীগের ছায়ায় নিচে নাই। এতে করে শোনা যায় এ এলাকার বহু ত্যাগী নেতা কর্মী সংসদের এর সাথে দেখা করতে পারেনা,এবং তারা সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কর্মকানন্ড এবং সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

লেখক।। মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান পলাশ" সহ -সভাপতি,  ঢাকা মহানগর যুবলীগ।