ঢাকা, শনিবার ২০শে অক্টোবর ২০১৮ , বাংলা - 

ওয়াকিটকির জন্য অতিরিক্ত বরাদ্দ চায় ইসি

ষ্টাফরিপোর্টার।।ঢাকাপ্রেস২৪.কম

শুক্রবার ১২ই অক্টোবর ২০১৮ রাত ০৮:৫৬:৩৭

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখাতে ইভিএম’র সাথে স্যাটেলাইট ফোন বা ডিজটাল মোবাইল রেডিও কমেউনিকেশন সিস্টেম (ওয়াকিটকি) ব্যবহার করতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই দুই প্রযুক্তি ব্যবহার করতে সরকারের কাছে অতিরিক্ত ২ হাজার ৫২ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছে কমিশন।

গত বুধবার (১০ অক্টোবর) ভারপ্রাপ্ত অর্থ সচিব আব্দুর রউফ তালুকদার কাছে পাঠানো নির্বাচন কমিশনের সচিব হেলালউদ্দীন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই অর্থ বরাদ্দ চাওয়া হয়।চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচনে ওয়াকিটকি ব্যবহার প্রকল্পের জন্য চীন সরকারের  ৫৩ কোটি টাকা অনুদান পেতে ঢাকায় চীনা দূতাবাসে চিঠি পাঠানো হয়েছে। 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আসন্ন। নির্বাচনে ‘ইউজ অফ ডিজিটাল মোবাইল রেডিও কমিউনিকেশন সিস্টেম (ওয়াকিটকি) ইন ইলেকশনে’ শীর্ষক প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। মধ্যমেয়াদী বাজেট কাঠামোর (এমটিবিএফ) আওতায় নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে মোট এক হাজার ১৪৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা পর্ষন্ত সিলিং নির্ধারিত রয়েছে।

আসন্ন নির্বাচনে সীমিতসংখ্যক আসনে ভোট গ্রহণ ও ফলাফল ঘোষণার কাজে ইভিএম এবং ওয়াকিটকি ব্যবহারের জন্য মধ্যমেয়াদী বাজেট কাঠামোর আওতায় ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে মোট ২ হাজার ৫২ কোটি টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ প্রয়োজন।

বাংলাদেশ সরকার জনগণকে সার্বিক সেবাপ্রদানের ক্ষেত্রে বিশেষ করে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতি বিরোধী কার্যক্রমের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি  অর্জন করেছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সম্প্রসারণ ও ব্যবহার বাড়াতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এছাড়া জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য সরকার আরো স্বচ্ছতা ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করছে।

 এরই ধারাবাহিকতায় স্বচ্ছতার সাথে নির্বিঘ্নে ভোটগ্রহণ ও  সুষ্ঠুভাবে নির্বাচনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার মাধ্যমে অবাধ ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের সকল স্তরে পর্যায়ক্রমে ভোটগ্রহণ ও  ফলাফল ঘোষণার কাজে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) প্রচলনের উদ্যোগ  নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ওয়াকিটকি ব্যবহারের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলমান আছে।

গত মাসে নির্বাচন ব্যবস্থায় তথ্য প্রযুক্তি প্রয়োগের লক্ষ্য ইভিএম ব্যবহার শীর্ষক প্রকল্পের ডিপিপি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায় অনুমোদন করা হয়। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৮২৫ কোটি ৩৪ লাখ টাকা, যা সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হবে।