ঢাকা, শনিবার ২০শে অক্টোবর ২০১৮ , বাংলা - 

ইলিশের অভাবে বেড়েছে মাছের দাম

ষ্টাফরিপোর্টার।।ঢাকাপ্রেস২৪.কম

শুক্রবার ১২ই অক্টোবর ২০১৮ রাত ০৯:২১:৩৬

চলছে ইলিশের প্রজনন মৌসুম। এসময় যাতে কেউ ইলিশ মাছ ধরতে ও বিক্রি করতে না পারে সে জন্য ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। বাজারে ইলিশ না থাকায় হুট করে বেড়ে গেছে অন্যান্য প্রায় সব মাছের দাম। মাছের প্রকার ও বাজারভেদে কেজিতে ৫০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে।

আজ শুক্রবার রাজধানীর হাতিরপুল, কারওয়ানবাজার, শান্তিনগর ও মতিঝিল বাজারসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, আজকের বাজারে মাঝারি আকারের প্রতি কেজি রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৩২০ টাকা কেজি দরে। অথচ এই আকারের রুই মাছের দাম কিছুদিন আগে ছিল ২৬০-২৮০ টাকার মধ্যে। প্রতি কেজি বড় আকারের রুই মাছ ৩৫০ টাকা বা তারও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। যা সপ্তাহখানেক আগেও প্রতি কেজি ৩০০-৩৩০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। আর ছোট আকারের রুই মাছ প্রতি কেজি এখন ২০০-২২০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে যা কিছু দিন আগেও বিক্রি হয়েছিল ১৮০ টাকা বা তারও কমে।

গত এক-দেড় মাসে রাজধানীর যে কোনো মাছের বাজারে অন্যান্য মাছের চেয়ে ইলিশের সরবরাহ ও চাহিদা ছিল বেশি। এক পর্যায়ে ইলিশ বেশ সস্তা হয়ে যাওয়ায় মানুষ হুমড়ি খেয়ে পড়েছিল কিনতে।

উল্লেখ, ইলিশের প্রজনন মৌসুম শুরু হওয়ার কারণে গত ৭ অক্টোবর থেকে সারাদেশে ইলিশ ধরা, পরিবহন, বাজারজাত, সংরক্ষণ ও বিক্রি পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ২২ দিনের এই নিষেধাজ্ঞার কারণে এখন অন্য মাছ কিনছেন ক্রেতারা। ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত বহাল থাকবে এই নিষেধাজ্ঞা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে ইলিশ না থাকায় অন্যান্য মাছের দাম কিছুটা বেড়েছে। বিশেষ করে নিম্নচাপের প্রভাবে কাল থেকে  সারাদেশে বৃষ্টি চলতে থাকায় বাজারে আজ মাছের সরবরাহও কম। মাছের দাম কিছুটা বেশি থাকার এটাও একটা কারণ

এছাড়াও প্রতি কেজি পাবদা মাছ ৫০০-৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ কিছুদিন আগে এই মাছের দাম ৪০০-৪৫০ টাকাতে নেমে এসেছিল। বিভিন্ন আকারের প্রতি কেজি টেংরা বাজারভেদে ৪৫০-৫৫০ টাকা, শরপুটি আকারভেদে ২০০-২১০ টাকা কেজি, তেলাপোয়া কেজি ১৫০-১৬০ টাকা, পাঙ্গাস কেজি ১৩০-১৫০ টাকা, চাষের শিং ও মাগুর মাছ ৫০০-৫৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। কিন্তু নিয়মিতভাবেই পাঙ্গাস মাছ ১১০-১২০ টাকা কেজি, তেলাপিয়া ১২০-১৪০ টাকা কেজি, সরপুঁটি সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।