ঢাকা, শুক্রবার ১৯শে জুলাই ২০১৯ , বাংলা - 

আর রাখা গেল না যন্ত্রনাকারী পদার্থগুলো

মাহমুদ হাসান

বৃহঃস্পতিবার ১৩ই জুন ২০১৯ রাত ১১:৫২:৪২

আর রাখা গেল না যন্ত্রনাকারী পদার্থগুলো। ছুঁড়িকাঁচি চালিয়ে ফেলা হয়েছে  তাদের। বলছিলাম পিত্তথলির পাথরের কথা( Gull stone) । পোস্ট অপারেটিভ রুমে  যখন প্রস্তুত করা হচ্ছিল আমাকে। ভয়ে বুকে তখন ধূর ধূর আওয়াজ। জীবনে কখনো  অপারেশন থিয়েটারেই ঢুকিনি সেই আমি যাচ্ছি অপারেশন টেবিলে। কি হবে, এই আতংক  আমাকে জাপটিয়ে ধরে বসেছে। সহকারী চিকিৎসার যখন প্রস্তুত করছিলেন আমাকে  তখনই  প্রধান সার্জন ঢুকে হাসি মুখে সালাম দিয়ে বলতে লাগলেন কি কি করা হবে।  আমিও ভয় দূর করার জন্য  তার সাথে তাল মেলালাম। কেউ একজন  আমার বা হাতের স্যালাইন দেয়ার ক্যানোলায় একটি ইনজেকশন পুশ করলেন। কয়েক  সেকেন্ড পর বললাম খুব ব্যথা অনুভব করছি। ইনজেকশন পুশকারী বলেলন, আর ব্যথা  লাগবে না। এখন আপনি ঘুমিয়ে পড়বেন। বুঝতে পারছি অজ্ঞান করার জন্য আমাকে  অ্যানেসথেশিয়া দেয়া হচ্ছে।  সত্যি আর ব্যথা লাগেনি। মানে আমি কিছু বলতে  পারব না। এর পর আমি যখন চোখ খুললাম তখন দেখি স্ত্রী- সন্তান, ভাই- বোন,  আত্মীয় স্বজন ও সহকর্মীদের দ্বারা  কেবিন ভর্তি। সবারই দৃষ্টি আমার দিকে।  শরীরটা নড়াতে গিয়ে বুঝলাম ল্যাপর্রাসকোপি করার কারণে abdomen এর কয়েকজন  স্থানে ব্যান্ডেজ। প্রায় সাড়ে ৬ ঘন্টা আমি অচেতন ছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ।  আল্লাহ্'র অশেষ রহমতে আজ বিকেলে বাসায় আসলাম। আমার অপারেশনের খবর জেনে খবর  নিয়েছেন, দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন, সহমর্মিতা ও সহযোগিতা করেছেন সবার  কাছে আমি। আবারো ধন্যবাদ আপনাদের।