ঢাকা, বৃহঃস্পতিবার ২১শে নভেম্বর ২০১৯ , বাংলা - 

বান্দরবানে ৩ জনকে কুপিয়ে জখম

জেলা সংবাদদাতা।।ঢাকাপ্রেস২৪.কম

শুক্রবার ২৮শে জুন ২০১৯ সকাল ০৮:৩৮:৩৩

বান্দরবান: বান্দরবানের লামায় ভূমি বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের সংঘবদ্ধ হামলায় ও দায়ের কোপে ৩ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। স্বজনরা আহতদের উদ্ধার করে লামা হাসপাতালে নেন। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় সেখান থেকে তাদেরকে চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে রেফার করা হয়।আজ শুক্রবার সকাল ৮টায় সরই ইউনিয়নের বটতলী পাড়ার নুরুচ্ছফার বাড়ির পাশে এই ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, লামার সরই ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড বটতলী পাড়ার খলিলুর রহমানের ছেলে ফরিদুল আলম (৪৩), একই এলাকার বদিউল আলমের স্ত্রী নুরুচ্ছফা বেগম (৪০) ও প্রবাসী মূসার স্ত্রী মনোয়ারা বেগম (২৫)।

লামা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত সহকারী মেডিকেল অফিসার ডা. বিবি ফাতেমা বলেন, তিনজনের হাতে দায়ের কোপ রয়েছে। দায়ের কোপে অনেকাংশ কাটা যাওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চমেক হাসপাতালে রেফার করা হয়। এছাড়া তিনজনের শরীরের অনেক জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

আহত ফরিদুল আলম ও নুরুচ্ছফা বেগমের বড় ভাই ইসলাম বলেন, সকালে আমার ভাই-বোনেরা জমিতে কাজ করতে যায়। নুরুচ্ছফার বাড়ির দক্ষিণপাশে তারা কাজ করছিল। জায়গার সীমানা নিয়ে পার্শ্ববর্তী তবু মিয়ার স্ত্রী মমতাজ বেগমের (৩৮) সঙ্গে আমাদের মামলা ও বিরোধ আছে। 

সেই বিরোধের জের ধরে শুক্রবার সকালে তারা সবাই মিলে মহেশখালী হতে ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে এসে হামলা চালায়। এসময় তবু মিয়ার ছোট স্ত্রী মমতাজ বেগম, তার ছেলে আবুল কাসেম (২২), আবুল বাশার (১৯) ও মহেশখালী হতে আনা ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী করিমসহ আরও ১২/১৩ জন সন্ত্রাসী দা, লাঠি-সোটা নিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আমাদের তিনজনকে গুরুতর আহত করে। পরে আমাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার বাবুল বলেন, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে যাই। এইভাবে মানুষ মানুষকে কুপিয়ে আহত করতে পারে তা আমার জানা ছিল না। মমতাজ বেগমের ছেলে আবুল কাসেম ও আবুল বাশার আগে থেকেই উশৃঙ্খল প্রকৃতির।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে লামা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক খালেদ মোশারফ বলেন, খবর পেয়ে আমি লামা হাসপাতালে আহতদের দেখতে যাই এবং চিকিৎসা পেতে সহায়তা করি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।