ঢাকা, শুক্রবার ১৩ই ডিসেম্বর ২০১৯ , বাংলা - 

কংগ্রেসের নতুন সভাপতি মুকুল ওয়াসনিক!

প্রতিবেশি ডেস্ক।। ঢাকাপ্রেস২৪.কম

শনিবার ১০ই আগস্ট ২০১৯ ভোর ০৪:৪০:৩৯

এখনও পর্যন্ত যা খবর, শনিবারই কংগ্রেস সভাপতি নিয়ে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হতে চলেছে। রাহুল গান্ধীর উত্তরসূরি বেছে নিতে বৈঠকে বসছে কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটি। তার আগে শুক্রবার কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর বাড়িতে আলোচনায় বসেছিলেন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা।

১৩৪ বছরের পুরনো কংগ্রেসে কি সত্যিই গান্ধী-জমানার অবসান হতে চলেছে? সূত্রের খবর, বৈঠকে রাহুলের উত্তরসূরি নির্বাচন নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে। কংগ্রেস সভাপতি হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে দলিত নেতা, প্রাক্তন মন্ত্রী মুকুল ওয়াসনিক। সেদিক থেকে বলা যায়, দীর্ঘ প্রায় দু-দশক বাদে গান্ধী পরিবারের বাইরে কেউ কংগ্রেস সভাপতি হতে চলেছেন।

কেন মুকুল ওয়াসনিক? একটি সূত্র জানাচ্ছে, যথেষ্ট প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা থাকার কারণেই প্রাক্তন মন্ত্রী ৫৯ বছরের মুকুল ওয়াসনিককে কংগ্রেস প্রধানের দায়িত্ব দেওয়ার কথা ভাবা হয়েছে। অন্তত আগামী সাংগঠনিক নির্বাচনের আগে পর্যন্ত মুকুলকে এই দায়িত্ব পালন করতে হতে পারে।

গত লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের ভরাডুবির দায় নিজের কাঁধে নিয়ে সভাপতির পদে ইস্তফা দেন রাহুল গান্ধী। ইস্তফাপত্র ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য কংগ্রেসের প্রবীণ নেতারা বারবার আর্জি জানানো সত্ত্বেও, রাহুল নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। রাহুলের অনমনীয় মনোভাবের কারণে দলের একাংশ প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে এই পদে দেখতে চান। ঘুরেফিরে সোনিয়া গান্ধীর নামও আসে। কিন্তু, রাহুল কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটিকে স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেন, গান্ধী পরিবারের সদস্য নন, এমন কাউকে এই পদে মনোনীত করতে। প্রিয়াঙ্কা ও সোনিয়াও জানিয়ে দিয়েছেন তাঁরা এই প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকবেন না।

রাহুল গান্ধীর একগুঁয়েমির কারণে দু-মাসেরও বেশি সময় ধরে কংগ্রেসে দলের প্রধান বাছা নিয়ে টালবাহানা চলছে। বহুবার চেষ্টা করেও রাহুলের মত বদলাতে পারেননি নেতারা। স্বভাবতই নতুন সভাপতি কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনা বাড়তে থাকে। এহেন পরিস্থিতিতে শুক্রবার সোনিয়া গান্ধীর বাড়িতে শীর্ষস্থানীয় কংগ্রেস নেতাদের বৈঠকে ঠিক হয়, কংগ্রেস সভাপতি বাছাইয়ে আর বিলম্ব করা যাবে না।

 এ কে অ্যান্টনি, আহমেদ প্যাটেল, কে ভি ভেনুগোপালদের উপস্থিতিতে এই বৈঠকে সব থেকে বেশি মুকুল ওয়াসনিককে নিয়েই আলোচনা হয়েছে। যদি দায়িত্ব পান, দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তিনি ছন্নছাড়া কংগ্রেসকে দল হিসেবে একসূত্রে বাঁধতে পারেন কি না, সেটাই দেখার।