ঢাকা, শুক্রবার ২০শে সেপ্টেম্বর ২০১৯ , বাংলা - 

বস্তির আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ৩ হাজার পরিবার

ষ্টাফরিপোর্টার।।ঢাকাপ্রেস২৪.কম

শনিবার ১৭ই আগস্ট ২০১৯ দুপুর ০২:০৪:১১

মিরপুর-৭ নম্বর সেকশনের চলন্তিকা মোড়ের পাশে ঝিলপাড় বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৫০০-৬০০টি ঘর পুড়ে গেছে। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত মোট পরিবারের সংখ্যা প্রায় তিন হাজার বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।শনিবার (১৭ আগস্ট) সকালে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, চলন্তিকা মোড়ের বস্তিতে শুক্রবার (১৬ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টা ২২ মিনিটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের ২৪টি ইউনিটের চেষ্টায় তিন ঘণ্টা পর রাত সাড়ে ১০টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। আর রাত আনুমানিক দেড়টা নাগাদ আগুন পুরোপুরি নির্বাপন সম্ভব হয়েছে।

‘বস্তির আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত সবগুলো ঘরই ছিলো কাঁচা। এর ফলে কিছু ঘর দেবে গেছে এবং ঘরের চালা চাপা পড়েছে। এজন্য এসব ধ্বংসস্তূপ অপসারণে আমাদের সময় লাগছে। এসব অপসারণ করে ভেতরে কোনো ভিকটিম আছে কিনা আমরা সার্চিং করে দেখছি। আগুনে প্রায় ৫০০-৬০০টি ঘর পুড়ে গেছে। এতে প্রায় তিন হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে’।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে রেজাউল করিম বলেন, আগুনের উৎস আমরা এখনো বের করতে পারিনি। তবে আগুনটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। অনুসন্ধান শেষে আগুনের উৎস নিশ্চিত করে বলা যাবে।

আগুন নেভাতে প্রতিবন্ধকতার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রধান সমস্যা বস্তির এন্ট্রি পয়েন্ট একটি এবং সরু গলির কারণে বস্তি পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি যায়নি। যার ফলে ততক্ষণে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। ঘরগুলো কাঁচা এবং ঘরগুলোর মধ্যে কোনো সেপারেশন ছিল না।

‘পানির সংকট ছিলো। আমরা গাড়ির মাধ্যমে এবং আশে-পাশের গার্মেন্টস থেকে পানি নিয়ে কাজ করেছি। আগুনটি আশে-পাশের ভবনে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা ছিলো, কিন্তু সেটি আমরা রোধ করতে পেরেছি’।

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত চার জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, যারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে কেউ গুরুতর নয় এবং কেউ দগ্ধ হয়নি।ঘটনার বিস্তারিত তদন্তে ফায়ার সার্ভিসের তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান তিনি।

অগ্নিকাণ্ডের পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম, স্থানীয় সংসদ সদস্য ইলিয়াস মোল্যা। এ সময় তারা ক্ষতিগ্রস্তদের সব ধরনের সাহায্যের আশ্বাস দেন।