ঢাকা, শুক্রবার ২০শে সেপ্টেম্বর ২০১৯ , বাংলা - 

নিউইয়র্কে বসছে বাংলাদেশ-মিয়ানমার

বিশেষ প্রতিনিধি।।ঢাকাপ্রেস২৪.কম

সোমবার ৯ই সেপ্টেম্বর ২০১৯ সকাল ০৯:৫১:১৩

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জট খুলতে চীনের মধ্যস্থতায় ফের বৈঠকে বসছে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার। চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সাইড লাইনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের ত্রি-দেশীয় এ বৈঠক হওয়ার সূচি নির্ধারিত হয়েছে।

একাধিক কূটনৈতিক সূত্র বলছে, দিনক্ষণের বিবেচনায় বৈঠকটিকে টেন্টেটিভ প্রোগ্রাম বা টিবিসি হিসাবে সূচিতে রাখা হলেও এটি যে নিউইয়র্কে হচ্ছে তা মোটামুটি নিশ্চিত। কারণ হিসাবে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন এবং মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী অং সান সুচির প্রতিনিধি হিসাবে মিয়ানমারের মন্ত্রী চাউ থিন মোয়ে জাতিসংঘে যাচ্ছেন এটা প্রায় নিশ্চিত। 

আর যার মধ্যস্থতায় বৈঠকটি হওয়ার প্রস্তাব সেই চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়েং ই-ও নিউইয়র্কে যাচ্ছেন। ৩ জনের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার প্রেক্ষিতে বৈঠকটি নিউইয়র্কে হওয়ার পক্ষেই আয়োজক চীন। ঢাকার তরফে বেইজিংয়ের মধ্যস্থতার প্রস্তাবের আগেই বলা হয়েছে, প্রত্যাবাসন জট খূলতে বাংলাদেশ যে কোন স্থানে বৈঠকে বসতে রাজী।  

ঢাকাস্থ চীনের রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খোলাসা করেই বলেছেন, যত দ্রুত সম্ভব বাংলাদেশ রোহিঙ্গা বোঝা লাঘব করতে চায়। তাদের ফেরত পাঠাতে ঢাকা প্রস্তুত। প্রয়োজন মিয়ানমারের প্রতিশ্রতির বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ। তারা তাদের বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের আস্থা অর্জনে যেনো দ্রুত পদেক্ষেপ নেয় এটাই বাংলাদেশের একমাত্র চাওয়া। আর এ নিয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা, সংলাপ বা বোঝাপড়ায় বাংলাদেশ সর্বদা তৈরি আছে।

কূটনৈতিক সূত্র বলছে, মানবিক কারণে বাংলাদেশ ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে যে সংকটে পড়েছে এটি এবার বিশ্ববাসীকে জানাতে প্রস্তুতি নিচ্ছে ঢাকা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের শতাধিক সরকারি প্রতিনিধি জাতিসংঘে সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন। 

ওই দলে পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ বেশ ক’জন মন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রসচিব ছাড়াও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা রয়েছেন। তারা বিশ্বসভার মূল অধিবেশন এবং সাইড লাইনে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। সব খানেই প্রাধান্য পাবে রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়টি।