ঢাকা, শনিবার ১৬ই নভেম্বর ২০১৯ , বাংলা - 

অবসরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মাহবুবুর

ষ্টাফরিপোর্টার।।ঢাকাপ্রেস২৪.কম

বৃহঃস্পতিবার ৭ই নভেম্বর ২০১৯ সকাল ০৯:১৯:৪৩

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক সেনাপ্রধান লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান রাজনীতি থেকে অবসর নিয়েছেন। দেড় থেকে দুই মাস আগে নিজের হাতে লেখা পদত্যাগপত্র দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে দিয়েছেন সাবেক এ সেনাপ্রধান।

বুধবার (৬ নভেম্বর) রাতে বিএনপির কয়েকজন নেতা বিষয়টি নিশ্চিত করলেও তারা নিজের পরিচয় প্রকাশ করতে চাননি। এ বিষয়ে কথা বলার জন্য দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাতে ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। গত দুই মাসে দলের স্থায়ী কমিটির কোনো বৈঠকেও তিনি উপস্থিত হননি।

মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) বিএনপি ছাড়েন দলের ভাইস চেয়ারম্যান এম মোর্শেদ খান। আর মাহবুবুর রহমানের পদত্যাগের মধ্যে দিয়ে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরামের কেউ প্রথমবারের মতো দল ছাড়লেন।

জানা যায়, খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর থেকেই মাহবুবুর রহমান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে বেশ কয়েকবার বিতর্কিত বক্তব্য দেন। এতে দলের মধ্যে তাকে নিয়ে বেশ সমালোচনাও হয়।

গত জানুয়ারিতে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে মাহবুবুর রহমান অভিযোগ করেন, একাদশ নির্বাচনে গিয়ে বিএনপি ভুল করেছে। যদি দলের নেতৃত্ব দিতে হয়, তারেক রহমানকে দেশে আসতে হবে। দেশে এসেই তাকে নেতৃত্ব দিতে হবে। বিদেশ থেকে দলের নেতৃত্ব দেওয়া সম্ভব নয়।

মাহবুবুর রহমানের মোবাইল বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান বাংলানিউজকে বলেন, এটা দলের বিষয়, আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না।

স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বুধবার (৬ নভেম্বর) রাত পৌনে ১১টায় বলেন, একজন স্থায়ী কমিটির সদস্য পদত্যাগ করলে সেটা স্থায়ী কমিটির মিটিংয়ে জানানোর একটা বিষয় আছে এবং গ্রহণ করারও ব্যাপার আছে। তবে মাহবুব সাহেব পদত্যাগ করেছেন কি না তা আমাদের কিছু জানানো হয়নি।

বেশ কয়েকটি মিটিংয়ে তিনি উপস্থিত ছিলেন না কেন এমন প্রশ্নের জবাবে গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, উনি অসুস্থ সেজন্য মিটিংয়ে আসেন না।

এদিকে, দলের কয়েকজন ভাইস চেয়ারম্যানও শিগগিরই পদত্যাগ করতে পারেন বলে একটি সূত্র জানিয়েছে। তাদের মধ্যে আছেন ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, আলতাফ হোসেন চৌধুরী ও মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। অবশ্য এ বিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি।