ঢাকা, বুধবার ২৯শে জানুয়ারী ২০২০ , বাংলা - 

উচ্ছিষ্ট খাবার আনতে গিয়ে ধর্ষিতা নাবালিকা

প্রতিবেশি ডেস্ক।। ঢাকাপ্রেস২৪.কম

শনিবার ৭ই ডিসেম্বর ২০১৯ দুপুর ১২:১৮:৪৩

ফুটপাতেই আস্তানা। ঠিক মতো খাবারও জুটত না প্রতি দিন। তাই আশপাশে কোনও বিয়ের অনুষ্ঠান হলে সেখানেই পৌঁছে যেত বছর ছয়েকের নাবালিকাটি। যদি উচ্ছিষ্ট খাবার মেলে, সেই আশায়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তারাতলা রোডে এমনই এক বিয়েবাড়িতে গিয়েছিল এক নাবালিকা।

সেখানে খাবারের বদলে ধর্ষণের শিকার হতে হল তাকে। ওই নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে এক তরুণকে। তেলঙ্গানা বা উন্নাওয়ের মতো শহর কলকাতাও যে বিশেষ নিরাপদ নয়, এই ঘটনার পর তেমনটাই মনে করছেন অনেকে।

পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতের নাম শেখ দানিশ। ১৯ বছরের ওই তরুণ পশ্চিম বন্দর থানা এলাকার আলগড়া বস্তির বাসিন্দা। অভিযোগ, সেই দিন সন্ধ্যায় গার্ডেনরিচ থানা এলাকার বাসিন্দা ওই নাবালিকা তারাতলা রোডের এক বিয়েবাড়িতে গিয়েছিল। অভিযোগ, সেখানেই ওই বিয়েবাড়ির বাথরুমে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করে দানিশ। ইতিমধ্যেই পশ্চিম বন্দর থানার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার দিন ওই নাবালিকা কয়েক জনের সঙ্গে তারাতলা রোডের ওই বিয়েবাড়িতে উচ্ছিষ্ট খাবার আনতে যায়। এর আগেও বেশ কয়েক বার ওই বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠানে উচ্ছিষ্ট খাবার নিতে গিয়েছিল সে। বিষয়টি নজরে রেখেছিল দানিশ।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওই নাবালিকাকে খাবার দেওয়ার নাম করে ভিতরে ডেকে নিয়ে যায় দানিশ। কিন্তু, ভিতরে নিয়ে যাওয়ার পর তাকে বিয়েবাড়ি লাগোয়া একটি বাথরুমের ভিতরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। ঘটনার পর অসুস্থ হয়ে পড়ে নাবালিকাটি। ওই অবস্থায় পরিবারের কাছে ফিরে আসে সে। এর পর ঘটনার কথা মাকে জানায়। মেয়ের কাছে ওই নির্যাতনের কথা শুনে সঙ্গে সঙ্গে গার্ডেনরিচ থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করে নাবালিকার পরিবার।

 পুলিশ সূত্রে খবর, যেহেতু ওই ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম বন্দর থানা এলাকায়, তাই গার্ডেনরিচ থানা থেকে মামলাটি চলে যায় পশ্চিম বন্দর থানায়। ঘটনার তদন্ত নেমে শুক্রবার দানিশকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ (ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারা) ছাড়াও ৪ পকসো (প্রোটেকশন ফ্রম চিলড্রেন ফ্রম সেক্সুয়াল অফেন্সেস) আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।