জিয়াউর রহমান ছিলেন অত্যন্ত সৎ ও ব্যক্তিগতভাবে নির্লোভ একজন নেতা হিসেবে।
কর্মনিষ্ঠ, স্বল্পভাষী ও শৃঙ্খলাপরায়ণ রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে।
কৃষি, খাদ্য উৎপাদন, খাল খনন ও গ্রামীণ উন্নয়নমুখী উন্নয়ন কর্মসূচির প্রবক্তা হিসেবে।
বহুদলীয় রাজনীতি পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল গঠনের মাধ্যমে রাজনৈতিক বিকল্প তৈরির উদ্যোগী ব্যক্তি হিসেবে।
দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতার ধারণা, যা পরে সার্ক হিসেবে বাস্তবায়িত হয়, তার অন্যতম প্রস্তাবক হিসেবে।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উন্নয়নে সক্রিয় রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে।
লেখায় উল্লেখিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ দাবি
কাফি খান দাবি করেছেন যে—
জিয়াউর রহমান ব্যক্তিগত জীবনে অত্যন্ত মিতব্যয়ী ছিলেন।
আত্মীয়স্বজনকে সুবিধা দেওয়া বা দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিতেন না।
সরকারি সফরে পাওয়া উপহার রাষ্ট্রের তোশাখানায় জমা দিতেন।
দীর্ঘ সময় কাজ করতেন এবং মাঠপর্যায়ে মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখতেন।
শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে তাঁকে কখনও অবমাননাকর মন্তব্য করতে শোনেননি।
ঐতিহাসিকভাবে পড়ার সময় যে বিষয়টি মনে রাখা জরুরি
এ ধরনের স্মৃতিচারণা গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক উপাদান হলেও এটি মূলত একজন ঘনিষ্ঠ সহযোগীর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও মূল্যায়ন। ফলে এখানে প্রশংসামূলক দৃষ্টিভঙ্গি স্বাভাবিকভাবে বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। ইতিহাস গবেষণার ক্ষেত্রে সাধারণত স্মৃতিকথা, সরকারি নথি, সমসাময়িক সংবাদপত্র, গবেষণা ও ভিন্নমতের সূত্র একসঙ্গে বিবেচনা করে কোনো ব্যক্তির ভূমিকা মূল্যায়ন করা হয়।
অর্থাৎ, লেখাটি জিয়াউর রহমানের একটি অত্যন্ত ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল প্রতিচ্ছবি তুলে ধরে, তবে এটিকে ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণা হিসেবে পড়াই সবচেয়ে উপযুক্ত।