ঢাকা, রবিবার, ২ আগস্ট ২০২৬,
সময়: ০৩:১০:৪৩ AM

মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার ফারুকের

স্টাফ রিপোটার।।ঢাকাপ্রেস২৪.কম
01-08-2026 03:01:10 PM
মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার ফারুকের

রাজনীতি শুধু ক্ষমতার পথ নয়, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর একটি অঙ্গীকার। আর সেই অঙ্গীকারকে বাস্তবে রূপ দিতে যারা নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন, তাঁদের অন্যতম বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক। প্রতি সপ্তাহেই তিনি নিজের এলাকার বিভিন্ন স্থানে গিয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। শুধু গাছ লাগিয়েই তিনি থেমে থাকেন না; সাধারণ মানুষের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা সৃষ্টি এবং সবাইকে বৃক্ষরোপণে উদ্বুদ্ধ করতে সভা-সমাবেশ ও মতবিনিময় সভারও আয়োজন করেন।

এই ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৩০, ৩১ জুলাই ও ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। তাঁর বিশ্বাস, একটি গাছ শুধু একটি চারাগাছ নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পরিবেশের প্রতীক। তাই তিনি নিজে গাছ লাগান, অন্যদেরও গাছ লাগাতে উৎসাহিত করেন এবং লাগানো গাছের পরিচর্যার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

বৃক্ষরোপন উপলক্ষে ৩১ জুলাই বিকেলে নোয়াখালীর সেনবাগে ওয়ার্ড পর্যায়ে বিনামূল্যে গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জয়নুল আবদিন ফারুক। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সারা দেশে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা জরুরি। তিনি দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানান, প্রত্যেকে যেন অন্তত ২০টি করে ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করেন এবং সেগুলোর যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করেন।

তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা—গাছ লাগানো যেমন দায়িত্ব, তেমনি সেই গাছকে বাঁচিয়ে রাখাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি মনে করেন, পরিবেশ রক্ষার এই আন্দোলন কেবল রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়; এটি মানুষের ভবিষ্যৎ সুরক্ষার একটি সামাজিক দায়বদ্ধতা।

অনুষ্ঠানে সেনবাগ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিএনপি নেতা মোক্তার হোসেন পাটোয়ারী, মোনোয়ার হোসেন চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। সভা শেষে উপস্থিত সাধারণ মানুষের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।

জয়নুল আবদিন ফারুকের রাজনৈতিক দর্শনের অন্যতম ভিত্তি হলো মানুষের প্রতি ভালোবাসা। এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখ, সুবিধা-অসুবিধার খোঁজ নেওয়া এবং সমস্যার সমাধানে এগিয়ে আসাই তাঁর দীর্ঘদিনের অভ্যাস। এই কারণেই তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, বরং অনেকের কাছে একজন অভিভাবক ও আস্থার প্রতীক।

তাঁর ধারাবাহিক জনসেবা, পরিবেশ রক্ষায় উদ্যোগ এবং মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক এলাকায় একটি ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতির উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে বৃক্ষরোপণের যে সচেতনতা তিনি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছেন, তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নকে আরও শক্তিশালী করবে।

জয়নুল আবদিন ফারুকের এই কর্মযজ্ঞ প্রমাণ করে, রাজনীতির প্রকৃত শক্তি মানুষের কল্যাণে, সমাজের উন্নয়নে এবং পরিবেশ রক্ষার মতো মানবিক উদ্যোগে নিহিত। মানুষের ভালোবাসা, আস্থা এবং অংশগ্রহণই একজন নেতার সবচেয়ে বড় অর্জন—আর সেই অর্জনের পথেই তিনি এগিয়ে চলেছেন।