পরিবেশ রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন জনদরদী নেতা জয়নুল আবেদীন ফারুক। দীর্ঘদিন ধরে তিনি গরিব, অসহায়, অনাথ,পথচারী ও পথশিশুদের কল্যাণে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন। মানবসেবার পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণেও তাঁর ভূমিকা এলাকাবাসীর কাছে প্রশংসিত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর জাতীয় উদ্যোগকে সফল করতে তিনি সেনবাগ উপজেলার সর্বস্তরের মানুষকে নিয়ে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। তাঁর উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সড়কের পাশ, খোলা জায়গা ও জনসাধারণের ব্যবহৃত স্থানে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হচ্ছে।
জয়নুল আবেদীন ফারুক শুধু নিজে গাছ লাগিয়েই দায়িত্ব শেষ করেননি; বরং একজন শিক্ষকের মতো শিক্ষার্থীদের পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে স্কুলে স্কুলে গিয়ে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তিনি সেনবাগ উপজেলার সকল কলেজ, স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উচ্চমাধ্যমিক প্রতিষ্ঠান এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীদের এক অনুষ্ঠানে বৃক্ষরোপন কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি বিশ্বাস করেন, শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণের সংস্কৃতি গড়ে উঠলে তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে পরিবেশ রক্ষার দায়বদ্ধতা সৃষ্টি করবে। এ কারণে তিনি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের শুধু গাছ লাগানোই নয়, লাগানো গাছের নিয়মিত পরিচর্যা করারও পরামর্শ দিয়েছেন।
জয়নুল আবেদীন ফারুক বলেন, “একটি গাছ শুধু একটি চারাগাছ নয়; এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পরিবেশের প্রতীক। আমরা যদি আজ বেশি বেশি গাছ লাগাই এবং সেগুলোর যথাযথ পরিচর্যা করি, তাহলে আগামী দিনে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব অনেকটাই মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।”
তিনি আরও বলেন, গাছ মানুষের সবচেয়ে বড় বন্ধু। গাছ আমাদের অক্সিজেন দেয়, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে, প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি কমায় এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই প্রত্যেক নাগরিকের উচিত অন্তত একটি করে গাছ লাগানো এবং সেটিকে বড় করে তোলা।
এলাকাবাসীর মতে, জয়নুল আবেদীন ফারুকের এই উদ্যোগ শুধু একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নয়; এটি পরিবেশ সচেতনতা গড়ে তোলার একটি সামাজিক আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। তাঁর আহ্বানে সাড়া দিয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সামাজিক সংগঠন এবং সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন।
পরিবেশবান্ধব ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে জয়নুল আবেদীন ফারুকের এই উদ্যোগ অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। তাঁদের প্রত্যাশা, সমাজের বিত্তবান ও জনপ্রতিনিধিরাও এমন উদ্যোগে এগিয়ে এলে দেশ আরও সবুজ, সুন্দর ও বাসযোগ্য হয়ে উঠবে।